খাঁটি পাটালি গুড়ের কিনারায় আঙুল দিয়ে চাপ দিয়েই ভাঙা যাবে। যদি ভাঙা না যায়, শক্ত প্রকৃতির হয় তবে ভেজাল আছে মনে করবেন।
আসল গুড় অবশ্যই ঘ্রাণে মৌ মৌ করবে, মাছি উড়ে এসে বসবে।
প্রয়োজনে ভেঙে একটু খেয়ে দেখবেন, যদি কচকচ করে তবে চিনি মেশানো আছে বুঝতে হবে। আসল গুড় মুখে দিলেই গলে যায়, কচকচ করবে না।
আসল পাটালি গুড়ের ভেতরে রসালো থাকবে, অনেক সময় গরমে গলে যেতে পারে। যদি ভেতরে শুকনা থাকে তাহলে ধরে নেওয়া যায় ভেজাল আছে।
আসল গুড় ও পাটালি গাঢ় বাদামি রং এর হবে ও কিছু কিছু ক্ষেত্রে লালচে বাদামি হতে পারে। তবে হলদে, সাদাসে ও কালো বর্ণ আসল গুড়ের বৈশিষ্ট্য নয়।
আসল পাটালি গুড়ের উপরিভাগ চকচকে থাকবেনা, ম্যাট টেকচার থাকবে। চকচকে চিনির মত থাকলে তাতে ভেজাল আছে।
শীতে পিঠার জন্য গুড় ও পাটালি খুবই জনপ্রিয়। যেমন – ভাপা পিঠা, কুলি পিঠা, দুধ চিতই, পাটিসাপটা পিঠা, নকশী পিঠা, ম্যারা পিঠা, তেলের পিঠা, গুড়ের জিলাপি, দুধ-পুলি পিঠা, ক্ষির পিঠা ইত্যাদি।
খেজুরের গুড় ও পাটালি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবার তৈরি করা যায়।
ফিরনি, পায়েস, গুড়ের শরবত, গুড়ের চা এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ডিজার্ট আইটেম তৈরি হয়।
এছাড়াও গুড় ও পাটালি দিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলের বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরি করা যায়।
চিনির পরিবর্তে গুড় ব্যবহার করতে পারবেন।